নাইমুলের আবরারের ময়নাতদন্ত আজ

দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পর্শে নিহত রেসিডেন্সিয়ালের ছাত্র নাইমুল আবরারের দাফনের আট দিনের মাথায় শনিবার কবর থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।

আজ রোববার নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত করা হবে।

গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর ধন্যপুর গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়।

নোয়াখালীর নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলিশায় রিছিলের উপস্থিতিতে কবর থেকে লাশটি তোলা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মোহাম্মদপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল আলীম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ৬ নভেম্বর ঢাকায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল হকের আদালতে আবরারের বাবা মজিবুর রহমান মামলা করেন।

আদালত বুধবার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে লাশটি কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে তার মৃত্যুর পর দায়ের করা ‘অপমৃত্যু’ মামলার সঙ্গে নতুন মামলাটি তদন্ত করে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে মোহাম্মদপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল আলীমকে এই মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে ১ নভেম্বর প্রথম আলোর মাসিক সাময়িকী ‘কিশোর আলো’র ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান হয়। ওই অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায় নাইমুল আবরার রাহাত (১৫)।

চাচা মাওলানা মোহাম্মদ উল্যাহ জানান, আজ পর্যন্ত প্রথম আলো পত্রিকা ও ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষের কেউ আসেনি, কোনো খোঁজখবরও নেয়নি। হত্যা না বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছে সেটা এখনও আমাদের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার নয়।

সোনাইমুড়ি উপজেলার সোনাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন চৌধুরী জানান, আবরারের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

Comments

comments