নরসিংদী যায়নি মজনু মঙ্গলবার ঘটনাস্থলেই ছিল (ভিডিও)

ঢাবি ছাত্রীর কথিত ধর্ষক গ্রেফতারের পর বিতর্কের রেশ যেন কাটছেই না। কথিত ঐ ধর্ষকের ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠে। সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্নেরও জন্ম দেয়। অনেকেই এটাকে আরেকটি জজ মিয়া নাটক বলে আখ্যা দেয়। অবশেষে টিভি ক্যামারায় ফাঁস হলো সেই গোমর। নিজেদের পাতা ফাঁদেই আটকা পড়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

বুধবার সন্দেহভাজন ধর্ষককে গ্রেফতারের পর র‌্যাব দাবি করে, মঙ্গলবার মজনু নরসিংদী ছিলো পরে সে ঢাকায় ফেরে এবং বুধবার সকালে তাকে শেওড়া রেল লাইন থেকে তাকে আটক করা হয়। কিন্তু একাত্তরের টিভি ক্যমরায় দেখা গেছে মঙ্গলবার মজনু ঘটনাস্থলেই (কুর্মিটোলা) ছিলো।

এদিকে হাতিয়াতে কোনো অস্তিত্ব নেই মজনুর, তথ্য নেই ইউনিয়ন পরিষদেও। তাহলে র‌্যাবের দাবি মিথ্যা বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকেই।

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এডভোকেট মাছুম বিল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, পুলিশ ও সাংবাদিকের ফোনে অতিষ্ঠ হয়ে ২ দিন থেকে ৯ ওয়ার্ডের ৭ মেম্বার ও চৌকিদার, দফাদার নিয়ে তন্ন তন্ন করে খোঁজাখুজির পর হাতিয়ার-জাহাজমারা গ্রামে মজনু, পিতা- মৃত মাহফুজুর রহমান, মা: সখিনা খাতুন নামে কাউকে পাইনি। ১২ বছর আগের তথ্য ইউনিয়ন পরিষদে নেই।

হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের গণমাধ্যমকে জানান, আমরা দুদিন ধরে শুধু জাহাজমারা নয়, পুরো হাতিয়ায় ধর্ষক মজনুর নাম-ঠিকানার সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোথাও ওই ঠিকানায় ওই নামের কাউকে পাইনি।

রেজাউল হক বাবু জানায়, ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণের অভিযুক্ত আসামি নোয়াখালীর হাতিয়ায় নয়, হাতিয়া প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন কিরন জানান, আমরা গণমাধ্যম কর্মীরা সরজমিন অনুসন্ধান করে ধর্ষক মজনুর কোন ঠিকানা আবিষ্কার করতে পারিনি।

Comments

comments