‘চট্টগ্রাম-৮ আসনের নির্বাচনে ৩০ জানুয়ারির আগাম বার্তা’

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগাম বার্তা দেয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বে ভোটের প্রসাধনী ছাড়া সুষ্ঠু ভোট কখনোই হবে না। এই আওয়ামী আমলে মানুষ ফেনী মার্কা নির্বাচন দেখেছে,এখন হুদা মার্কা নির্বাচন দেখছে। এরপরেও মানুষ আরও কি মার্কা নির্বাচন দেখবে সেটির প্রতীক্ষা করছে। তাদের সকল আমলের নির্বাচনে হিংসা আর ভোট-লুটের গল্প ছাড়া আর কিছু পাওয়া যাবে না। সিইসি হিসেবে কেএম নুরুল হুদাকে বাছাই করা হয়েছে কেবলমাত্র সুষ্ঠু নির্বাচনকে গোরস্থানের স্থায়ী বাসিন্দা বানাতে।

সত্য ঘটনাকে মিথ্যা বলা আওয়ামী লীগের এই আদর্শিক ইশতেহার আতস্থ করেছেন সিইসি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার সাংস্কৃতিক অভিরুচি একই ধরণের। সেটি হলো-নিরস্ত্র ভোটারদেরকে অবৈধ ক্ষমতা প্রদর্শন। ভোট ডাকাতি, ভোট সন্ত্রাস, জালভোট, ভোট কেন্দ্র দখল ও অবৈধ অস্ত্রের আস্ফালনে আওয়ামী লীগের যে বিজয় নিশান উড়ে সেই নিশানে হাওয়া দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এখন জনমনে ভোট মানেই যে প্রহসন সেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটের আগের দিন বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি-ধামকি, হামলা আর ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে আসতে বাধা প্রদান করা হয়েছে। ১৭০টির মধ্যে সকালবেলায় ১২০টি ভোটকেন্দ্র থেকে এবং পরে সকাল ১১টার মধ্যে সবকটি কেন্দ্র দখল করে বিএনপি প্রার্থীর এজেন্টদের বের করে দিয়েছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, যুবদল নেতা খোরশেদ ও রফিকের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তারা এখন হাসপাতালে মুমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। এমনকি বিএনপি’র বর্ষীয়ান নেতা ৮০ বছর বয়স্ক অ্যাডভোকেট ইসাহাকের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে তাকেও আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।

Comments

comments