চাঁদপুরে মাঝ নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষ

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে চার শিশুসহ কমপক্ষে আট যাত্রী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে মেঘনা নদীর আলুর বাজার এলাকায় এই সংঘর্ষ হয়।

আহতদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে ছয়জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছয়জন হলেন- বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার মহিউদ্দিন (১০), ফয়জুল (১২), মাসুম (২৬), রাসেল (১৫), মো. তারেক (১১), আবু তাহের (২৫)।

আহতদের মধ্যে মহিউদ্দিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

আড়াইশ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক আছিবুল হাসান বলেন, রাত প্রায় দেড়টার দিকে রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে আমরা তাদেরকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিই।

তিনি বলেন, বর্তমানে চিকিৎসাধীন যাত্রীদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত রয়েছে। তবে এদের মধ্যে মহিউদ্দিনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে রেফার্ড করা হয়েছে।

আহত যাত্রী মাসুম ও রাসেল জানান, এমভি আওলাদ-৪ বরিশাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। এমভি টিপু-১২ চাঁদপুর থেকে ছেড়ে পিরোজপুর জেলার হুলারহাটের উদ্দেশে রওনা হয়।

পথিমধ্যে চাঁদপুরের আলুর বাজার এলাকা অতিক্রমকালে এমভি টিপু-১২ লঞ্চটি এমভি আওলাদ-৪ লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চের আট যাত্রী গুরুতর আহত হন।

এমভি আওলাদ-৪ লঞ্চের চাঁদপুর ঘাট সুপারভাইজার রুহুল আমিন বলেন, দু’টি লঞ্চের সংঘর্ষে এমভি আওলাদ লঞ্চের সামনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে আটজন যাত্রী আহত হয়। পরে আহতদের ট্রলারে করে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

চাঁদপুর নৌ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইলিয়াস বলেন, আমরা সংঘর্ষের খবর পেয়ে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের নিয়ে অবস্থান করি।

তিনি বলেন, আক্রান্ত লঞ্চটিকে ঘাটে ভিড়ানোর অনুরোধ করা হলেও তারা আমাদের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে ঢাকার দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Comments

comments