ইবি’তে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) যেন থামতেই চাইছে না দলীয় কোন্দোল। গত শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে ফের ছাত্রলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের কমপক্ষে আট নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। তাদেরমধ্যে অ্যাকাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেমের শিক্ষার্থী হিমেল চাকমা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানায়, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত ও শাহজালাল ইসলাম সোহাগের মধ্যে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আরাফাতের সমর্থক দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী কামাল হোসেন ও সোহাগের সমর্থক মাস্টার্সের শিক্ষার্থী জেবিয়ার রহমান রাত ৯টার দিকে শহীদ জিয়াউর রহমান হলে তর্কে লিপ্ত হন। পরে হলের মসজিদের সামনে দু’পক্ষের সমর্থকরা লাঠি, হাতুড়ি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়। এতে উভয়দলের আটজন আহত হয়।

আহত কিছু শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। হিমেলের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

কামালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি জেবিয়ারকে বন্ধু ভেবেছিলাম। ভুলটির জন্য আমি ক্ষমা চেয়েছি কিন্তু তিনি আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন।”

তবে জেবিয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে কামাল ও তার পক্ষকে মারধর করার অভিযোগ আনেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ছুটে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক পরেশ চন্দ্র বর্মন বলেন, “সংবাদ পেয়ে আমরা প্রক্টরিয়াল বডি ঘটনাস্থলে যাই। তদন্তের পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Comments

comments