সাঈদীর মামলার সাক্ষী খলিফার মৃত্যু, বয়স নিয়ে তুমুল সমালোচনা

জামায়াত নেতা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে কথিত যুদ্ধাপরাধ মামলার অন্যতম সাক্ষী আব্দুল হালিম খলিফা ওরফে বাবুল মারা গেছেন।

আজ শুক্রবার ভোররাত সাড়ে ১২টার দিকে পিরোজপুরের ইন্দুরকানি উপজেলার বৌডুবি গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি মারা যান।

ইন্দুরকানি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি দবলেন, ‘তিন দিন আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে বাবুলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে বুধবার তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। আজ ভোররাতে তিনি মারা গেছেন। সকালে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

এদিকে তার মৃত্যুর পর তার বয়স নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে ৫৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান। তাহলে ১৯৭১ সালে তার বয়স ছিলো ৬ বছর। এখন প্রশ্ন হচ্ছে একজন ছয় বছরের শিশু মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সাক্ষী হয় কিভাবে। দেখা গেছে, ২০১৩ সাল থেকেই সে ও তার ইন্ধনদাতারা রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ভোগের পাশাপাশি পুলিশী নিরাপত্তাও পেয়ে আসছিল!

এ বিষয়ে মাসুদ সাঈদী বলেছেন, আমার আব্বা আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে আদালতে স্বাক্ষ্য দেওয়া আব্দুল হালিম খলিফার মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিলো ৫৫ বছর ৷ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে আজ থেকে ৪৯ বছর আগে৷ তার মানে, আমার আব্বার বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দেওয়া ব্যাক্তির যুদ্ধের সময় বয়স ছিলো ৬ বছর। বাকিটা ইতিহাস। আশা করি এ ইতিহাস বিবেকবানরা বুঝে নেবেন।

আতিক নামে একজন লিখেছেন, হীরক রানীর দেশে সবই সম্ভব। এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নাই। হাসিনার রাজত্ব কালে সামনে আরও কত কি অপেক্ষা করছে! দেখতে থাকেন। ছয় বছর বয়সে স্বাক্ষীর স্বাক্ষীতে অমরণ জেল। কি যে বিনেোদন! এটা একমাত্র আওয়ামীলীগের দ্বারাই সম্ভব। এরা যত বার ক্ষমতায় এসেছে মনে রাখার মত কিছু বিনোদন জনগনকে উপহার দিয়েছে।

Comments

comments