লিবিয়ায় মানবপাচারের মূল হোতারা বিদেশে, চিহ্নিত ৫

লিবিয়ায় মানবপাচারের মূল হোতা সবাই বিদেশে রয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জনকে চিহ্নিত করতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের ধরতে ইন্টারপোলের সহযোগিতা চাওয়া হবে। মানবপাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে দেশে এ পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজনকে নেয়া হয়েছে রিমান্ডে। আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে আরও দুজন।

গেল ২৮মে, লিবিয়ার মিসদাহ উপ-শহরের মরুভূমিতে ২৬ বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করে মানবপাচারকারী চক্র। বিদেশে এমন নৃশংসতায় জড়িত দেশীয়দের ধরতে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ডিবি জানায়, লিবিয়ায় পাচারের পর যে সব বন্দিশিবিরে রাখা হয় তার সংখ্যা ৯টি। যেখানে প্রায় আড়াই হাজারজন রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এ সব বন্দিশিবির পরিচালনা করে, মূলত বাংলাদেশিরাই। যার মূল হোতা, নোয়াখালীর কাজী ইসমাইল আলম, সিলেটের আশরাফুল আলম, কুমিল্লার শরিফ, মাদারিপুরের কালাম ও চট্টগ্রামের মুসলিম।

ঢাকা থেকে অবৈধভাবে ৪টি রুটে লিবিয়া হয়ে ইউরোপে যান বাংলাদেশিরা। প্রথমটি ট্টগ্রাম-দুবাই-শারজা-আলেকজান্দ্রিয়া-বেনগাজী। দ্বিতীয় চট্টগ্রাম-দুবাই-তিউনিশিয়া-বেনগাজি। তৃতীয়টি সড়কপথে বেনাপোল দিয়ে কলকাতা-বোম্বে পরে বিমানে শারজা-আলেকজান্দ্রিয়া-বেনগাজি আর ৪র্থটি হচ্ছে সড়ক পথে বেনাপোল দিয়ে কলকাতা-বোম্বে; পরে বিমানে আলেকজান্দ্রিয়া-বেনগাজি।

এই পথে যেতে দালালদের টাকা দিতে হয় দুই ধাপে। যাত্রা শুরুর আগেই তিন-সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে নেয় দালালরা। আর লিবিয়াতে পৌছানোর পর ইউরোপ যেতে চাইলে গুনতে হয় আরও ২ লাখ।

লিবিয়ায় মানবপাচারকারীদের ধরতে তদন্ত করছে সিআইডিও। এ পর্যন্ত ১২টি মামলা করেছে তারা।

করোনা আক্রান্ত র‍্যাব সদস্যদের চিকিৎসা মনিটরিং অ্যাপসের উদ্বোধনে এলিট বাহিনীটির মহাপরিচালক জানান, মাফিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে।

এদিকে, মানপাচারের অভিযোগে কুয়েতে আটক হয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল। তার জামিন আবেদন নাকচ করেছে দেশটির আদালত।

Comments

comments