করোনায় সর্বোচ্চ ৩৪৭১ আক্রান্তের দিন মৃত্যুর রেকর্ড ৪৬

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চব্বিশ ঘণ্টায় রেকর্ড ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১৫ হাজার ৯৯০টি নমুনা পরীক্ষা করে এই ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে আরও ৩ হাজার ৪৭১ জনের শরীরে।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলার পর শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত মোট আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ৮১ হাজার ৫২৩ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৫ জন। আর গত একদিনে আরও ৫০২ জন নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৭ হাজার ২৪৯ জন।

এর আগে দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড ছিল ৪৫ জন, ৯ জুন; সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ডটি হয়েছিল ১০ জুন, ৩ হাজার ১৯০ জন।

দেশে নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.৭১ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১.১৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩৪ শতাংশ।

দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে শুক্রবার দুপুরে এসব হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

তিনি জানান, সবশেষ একদিনে মৃত্যুবরণ করাদের মধ্যে পুরুষ ৩৭ জন, নারী ৯ জন। হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে ৩২ জনের; ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বাড়িতে।

তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জন। বাকিদের মধ্যে রংপুর বিভাগে পাঁচজন, সিলেট বিভাগে তিনজন, বরিশাল বিভাগে তিনজন, ময়মনসিংহ বিভাগে দুজন এবং খুলনা বিভাগে একজন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬১-৭০ বছর বয়সীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপরই রয়েছে ৫১-৬০ বছর বয়সীরা। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। অন্যদের মধ্যে ২১-৩০ বছরের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে একজনের, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে রয়েছেন ছয়জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে রয়েছেন তিনজন, ৭১-৮০ বছরের মধ্যে আছেন সাতজন, ৮১-৯০ বছরের মধ্যে আছেন একজন এবং একশো বছরের অধিক একজন।

বুলেটিনে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৪৩৬ জনকে, ছাড় পেয়েছেন ১৮৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৯ হাজার ১২ জন।

এই সময়ে কোয়ারেন্টাইনে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৮৮৮ জন, ছাড় পেয়েছেন ২ হাজার ৩৪ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ৫৯ হাজার ৮৫৩ জন।

Comments

comments