বুড়িগঙ্গা ট্র্যাজেডি: মৃত্যুপূরীতে যেন আরেক মৃত্যু কুপ

করোনায় যখন দিনে দিনে বেড়েই চলেছে মৃত্যুর সংখ্যা আক্রান্ত হচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের নেতা থেকে নিম্নবিত্ত মানুষ। দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিল ঠিক তখন  রাজধানীর শ্যামবাজারসংলগ্ন বুড়িগঙ্গায় লঞ্চ ডুবে আরও এক মৃত্যুপূরীতে পরিনত হয়েছে।

গতকাল সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ রুটের এমভি মর্নিং বার্ড নামে দোতলা একটি লঞ্চ ডুবে যায় ঢাকা-চাঁদপুর রুটের ময়ূর-২ নামে একটি লঞ্চ এর ধাক্কায়।

এ ঘটনায় রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ৩২ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লঞ্চডুবির পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর ডুবুরিরা সম্মিলিতভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। ৮০ জন ধারণক্ষমতার ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে কতজন যাত্রী ছিল তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তারা। লঞ্চডুবির পর যাত্রীদের মধ্যে কজন সাঁতরে তীরে উঠতে পেরেছেন সেটিও নিশ্চিত না হওয়ায় এখনো ঠিক কতজন নিখোঁজ রয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। এ ঘটনার তদন্তে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এদিকে লঞ্চডুবিতে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, চালক ছুটিতে থাকায় তার সহকারী ময়ূর-২ লঞ্চটি চালাচ্ছিল। ঘটনার পর থেকেই লঞ্চটির কর্মচারীরা সবাই পলাতক। গতকাল দুপুরে ঘটনাস্থলে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বিষয়টি ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা থেকে একটা বলা যায় যে, পরিকল্পিতভাবে মর্নিং বার্ড লঞ্চটিকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফুটেজে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে, বড় লঞ্চটি ছোট লঞ্চকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ডুবিয়ে দিচ্ছে। এজন্য যারা দায়ী তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘নিহতের স্বজনদের ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আর লাশ দাফনের জন্য তাৎক্ষণিক ১০ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে।’

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্র্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ময়ূর-২ নামে একটি লঞ্চ সদরঘাট লালকুঠি ঘাট থেকে চাঁদপুরের দিকে যাচ্ছিল। ওই লঞ্চটি মর্নিং বার্ডকে ধাক্কা দেয়। এতে মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ডুবে যায়। দুই লঞ্চের চালকদের অসতর্কতায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান শেষে এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে।’

এদিকে ডুবে যাওয়া লঞ্চটির অবস্থান শনাক্তের পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর ডুবুরিরা সম্মিলতিভাবে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে। বুড়িগঙ্গার তলদেশে প্রায় ৫০ ফুট পানির নিচ থেকে একটার পর একটা লাশ তুলে আনে তারা।

বেঁচে যাওয়া যাত্রী মুন্সীগঞ্জের মাসুদুর রহমান বলেন, ‘মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি ঘাট থেকে প্রায় ১০০ জন যাত্রী নিয়ে মর্নিং বার্ড লঞ্চটি ঘাটে ভেড়ার জন্য সোজা চলছিল। তখন ময়ূর-২ নামে একটা লঞ্চ আড়াআড়িভাবে ঘোরানো হচ্ছিল। ওই সময় ময়ূর-২ লঞ্চের পেছনের অংশ ধাক্কা দেয় আমাদের লঞ্চটিকে। ধাক্কা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লঞ্চটা কাত হয়ে ডুবে যায়। লঞ্চটি তলিয়ে যেতে ৩০ সেকেণ্ডও সময় নেয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি কেবিনে ছিলাম। জানালার গ্লাস খুলে আমি বের হয়ে আসি। ভেতরে আমার আপন দুই মামা আফজাল শেখ ও বাচ্চু শেখ ছিলেন। তারা তো বের হতে পারেননি। নিহতদের অধিকাংশেরই বাড়ি মুন্সীগঞ্জে। তারা পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা করতেন। অধিকাংশ যাত্রীই সকালে ঢাকায় আসতেন এবং বিকেলে চলে যেতেন।’

এ লঞ্চডুবির পর নারায়ণগঞ্জ থেকে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় উদ্ধারকাজে রওনা হয়। কিন্তু পোস্তগোলা সেতুর কাছে সেটি আটকা পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন) জিল্লুর রহমান জানান, তাদের উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। তারা লঞ্চটি বেঁধে রেখেছেন তবে এর সামনের দিকটা কাদার নিচে ডুবে আছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্র্তৃপক্ষের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, ‘লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার পরপরই আমাদের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ শুরু করে। উদ্ধার তৎপরতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসলে কত প্রাণহানি হয়েছে সেটা নিশ্চিত বলা যাবে না। রাতেও উদ্ধার তৎপরতা চলবে।’

ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি আবুল খায়ের বলেন, ‘মর্নিং বার্ড ছোট আকারের দোতলা লঞ্চ। পানির প্রায় ৫৯ ফুট নিচে ডুবে যাওয়ার পর স্রোতে তার তিন ভাগের এক অংশ কাদায় তলিয়ে গেছে। আমরা পানির নিচ থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি ব্যবহৃত ব্যাগ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছি।’

দুর্ঘটনার পর ডুবুরি দল একের পর এক লাশ উদ্ধার করে সাদা ব্যাগে ভরে নৌকার ওপর রাখে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নৌকায় শুধু সারি সারি লাশ দেখা যায়। পরে লাশগুলো নেওয়া হয় পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (মিটফোর্ড) মর্গে। স্বজন হারানোর বেদনায় সেখানকার বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক একেএম আরিফউদ্দিন জানান, ধাক্কা দেওয়া লঞ্চ ময়ূর-২ জব্দ করা হয়েছে। তবে লঞ্চের চালক লঞ্চ ফেলে পালিয়ে গেছে। দুটি লঞ্চের ফিটনেসসহ যাবতীয় নথিপত্র যাচাই করে দেখা হচ্ছে।

নৌপুলিশের সদরঘাট থানার ওসি মো. রেজাউল করিম ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি ময়ূর-২ লঞ্চটি চালকের সহকারী চালাচ্ছিল। ঘটনার পর থেকে ওই লঞ্চের স্টাফরা সবাই পালিয়ে গেছে। লঞ্চের চালকসহ অন্যদের আটকের জন্য নৌপুলিশের টিম কাজ করছে।’

মর্নিং বার্ড লঞ্চের চালক শিপন হাওলাদার মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, আমি প্রায় ১৫ দিন ধরে ছুটিতে আছি। ওই লঞ্চে নিয়মিত কোনো চালক নেই। সহকারী কেউ হয়তো চালাচ্ছিল। এ বিষয়ে লঞ্চমালিকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 প্রাণ গেল যাদের :

নৌপুলিশের সদরঘাট থানার ওসি মো. রেজাউল করিম ভূঁইয়া বলেন, উদ্ধার হওয়া ৩২ লাশের মধ্যে ৮ নারী, ৩ শিশু ও ২১ পুরুষ রয়েছে। ৩২টি লাশ স্বজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতরা হলেন শাহাদাত হোসেন (৪৪), আবু তাহের বেপারী (৫৮), সুমন তালুকদার (৩৫), ময়না বেগম (৩৫), তার মেয়ে মুক্তা আক্তার (১৩), আফজাল শেখ (৪৮), মনিরুজ্জামান মনির (৪২), গোলাপ হোসেন (৫০), সুবর্ণা বেগম (৩৮), তার ছেলে তামিম (১০), আবু সাঈদ (৩৯), সুফিয়া বেগম (৫০), শহিদুল ইসলাম (৬১), মিজানুর রহমান কনক (৩২), সত্য রঞ্জন বণিক (৬৫), শামীম বেপারী (৪৪), বিউটি আক্তার (৩৮), আয়শা বেগম (৩৫), মো. মিল্লাত (৩৫), মো. আমির হোসেন (৫৫), সুমনা আক্তার (৩২), পাপ্পু (৩২), মো. মহিম (১৭), দিদার হোসেন (৪৫), হাফেজা খাতুন (৩৮), হাসিনা রহমান (৩৫), সিফাত (৮), আলম বেপারী, তালহা (২), ইসমাইল শরীফ (৩৫), সাইফুল ইসলাম (৪২) ও বাসুদেব নাথ (৪৫)।

বেঁচে যাওয়া যাত্রী, স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য:

বুড়িগঙ্গা নদীর লালকুঠি খেয়াঘাটের মাঝি আলম হোসেন বলেন, ‘চাঁদপুর থেকে আসা ময়ূর-২ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লালকুঠি ঘাটে যাত্রী নামিয়ে ঘাটেই ছিল। সদরঘাটের ‘চাঁদপুর ঘাট’-এ গিয়ে নোঙর করার জন্য ব্যাক গিয়ারে ঘোরানো হচ্ছিল লঞ্চটি। ওই সময় পেছনে নদীতে থাকা এমভি মর্নিং বার্ডের সঙ্গে ধাক্কা লাগে এবং সঙ্গে সঙ্গে সেটি ডুবে যায়। যাত্রীরা সাঁতরে বিভিন্ন নৌকায় ওঠেন। আর যারা বের হয়ে আসতে পারেননি তারা মারা যান।’

ডুবে যাওয়া লঞ্চের যাত্রী মুন্সীগঞ্জের আবদুর রউফ জানান, সাপ্তাহিক কর্মদিবস থাকায় লঞ্চে ভিড় ছিল বেশি। ২০ বছর ধরে প্রতিদিন লঞ্চের যাত্রী হয়ে তিনি সকালে মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসেন এবং কাজ শেষে আবার বিকেলে ফিরে যান। প্রতিদিনের মতো সকাল সাড়ে ৭টায় মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে মর্নিং বার্ড লঞ্চটিতে ওঠেন। সঙ্গে ছিলেন তার বন্ধু সত্যরঞ্জন বণিক। সকাল পৌনে ৯টায় লঞ্চটি ঢাকার সদরঘাট টার্মিনালের কাছাকাছি চলে আসে। লঞ্চটি তখন ঘাট থেকে মাত্র ২০০ হাত দূরে ছিল। ইঞ্জিনের গতি কমিয়ে দেওয়ায় যাত্রীরা নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ঠিক তখন ময়ূর-২ নামে লঞ্চের পেছনের অংশের ধাক্কায় লঞ্চটি তলিয়ে যায়। সত্যরঞ্জন পানিতে ডুবে মারা গেছেন। ভাগ্যগুণে বেঁচে গেছেন তিনি।

কীভাবে লঞ্চটি ডুবল জানতে চাইলে আবদুর রউফ বলেন, ‘ঘাটের কাছে আসায় আমরা নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে ময়ূর-২ লঞ্চ আমাদের লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। ভয়ে আমরা সবাই চিৎকার করতে থাকি। ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আমাদের লঞ্চটি কাত হয়ে তলিয়ে যায়। আমরা ছিলাম লঞ্চের নিচের তলায়। পানিতে হাবুডুবু খেতে থাকি। দম আমার বের হয়ে যাচ্ছিল, কোনোমতে সাঁতরে বের হয়ে আসি। কিন্তু আমার বন্ধু সত্যরঞ্জন উঠতে পারেনি, সে মারা গেছে।’

তিনি আরও জানান, লঞ্চের যাত্রী যারা মারা গেছেন বা ডুবে গেছেন, তাদের অনেকেই এ রুটের নিয়মিত যাত্রী। এসব লোকজন মুন্সীগঞ্জের কাঠপট্টি থেকে প্রতিদিন ঢাকায় আসেন। কাজ শেষে আবার ফিরে যান। আবদুর রউফ বলেন, ‘আমাদের লঞ্চে ৫০-৬০ যাত্রী ছিল। নিয়ম মেনে ঘাটে ভেড়াচ্ছিল। হঠাৎ করে অন্য লঞ্চটি ধাক্কা দিয়ে এ মানুষগুলোকে মেরে ফেলল। আমিও মরে যেতে পারতাম।’

সত্যরঞ্জনের বড় মেয়ে দোলা বণিক বলেন, ‘আমার বাবার মিটফোর্ডে ওষুধের দোকান আছে। আমি থাকি ঢাকায়। আমার বাবা প্রতিদিন মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসেন। আবার কাজ শেষে চলে যান। গত পরশু দিন (শনিবার) আমার বাবা আমার বাসায় আসেন। আমি বাবাকে বলি, বাবা, এখন করোনাভাইরাস। তুমি লঞ্চে করে যাতায়াত না করে আমার বাসায় থেকে ব্যবসা করো। কিন্তু আমার বাবা কথা শুনল না। চলে গেল। সেটাই ছিল বাবার সঙ্গে শেষ দেখা।’

ফল ব্যবসায়ী আবু সাঈদ মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকার সদরঘাটের বাদামতলীতে যাচ্ছিলেন ফল কিনতে। সকাল ৭টায় রওনা হন। কাঠপট্টি থেকে লঞ্চে ওঠেন। তার কোনো খবর পাচ্ছেন না স্বজনরা। আবু সাঈদের স্ত্রী নূর জাহান বেগম বলেন, ‘অভাবের সংসার। করোনায় অনেক দিন ফলের দোকান বন্ধ। আয় নেই। এখন আবার ব্যবসা শুরু হয়েছে। আমার স্বামী ফল কেনার জন্য ঢাকায় আসেন। সকাল সকাল লঞ্চ ধরতে হবে বলে খেয়েও আসেননি।’

লঞ্চডুবির ঘটনায় ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি:

বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করেছে মন্ত্রণালয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন) মো. রফিকুল ইসলাম খানকে আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্র্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) পরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা) মো. রফিকুল ইসলামকে কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন নৌপরিবহন অধিদপ্তরের চিফ নটিক্যাল সার্ভেয়ার ক্যাপ্টেন জসিম উদ্দিন সরকার, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) প্রধান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেভাল আর্কিটেকচার অ্যান্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি ও নৌপুলিশের একজন উপযুক্ত প্রতিনিধি।

কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। কমিটি দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটন, দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তি-সংস্থাকে শনাক্তকরণ এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় উল্লেখ করে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রদান করবে।

Comments

comments