জাতীয়

ভারতের নজিরবিহীন আগ্রাসন ঠেকাতে ঐক্য জরুরি

2020/09/03/_post_thumb-2020_09_03_15_37_26.png

‘সীমান্ত হত্যা, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও পানি নিয়ে ভারত যে স্বেচ্ছাচারিতা দেখাচ্ছে তা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তাই আধিপত্যবাদী আগ্রাসন মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য জরুরি।’

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সীমান্ত আগ্রাসন, পানি আগ্রাসন ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের দাবিতে এক মানববন্ধনে এসব কথা বলা হয়। নাগরিক পরিষদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, ‘১৯৭২ সাল থেকে এ পর্যন্ত সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশের নিরস্ত্র নিরীহ জনসাধারণের জীবন গেলেও কোনো সরকারই ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ফোরামে সীমান্ত হত্যার বিষয়টি আলোচনায় আনেনি। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির ফলে স্বাধীন দেশের মানুষ হয়েও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে-বাঁচতে পারছি না আমরা।’

তিনি বলেন, ‘ফারাক্কা-গজলডোবা-টিপাইমুখ ও উজানে অসংখ্য বাঁধ এবং আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প দেশকে মরুভূমিতে পরিণত করছে। আবার বর্ষায় একসঙ্গে সীমাহীন পানি ছেড়ে দিয়ে আমাদেরকে বন্যায় ভাসিয়ে দেয়। এমন শত্রুতা পৃথিবীতে নজিরবিহীন। অথচ সরকার আন্তর্জাতিক ফেরামে নিশ্চুপ, কি রহস্যজনক!’

মোহাম্মদ শামসুদ্দীন বলেন, ‘সাংস্কৃতিক আগ্রাসন ও বিএসএফ কর্তৃক সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের ফলে আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নবিদ্ধ। স্বাধীনতা হুমকির সম্মুখীন। এ অবস্থায় আধিপত্যবাদী আগ্রাসন মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।’ তিনি বলেন, ফেলানী হত্যার বিচার না হলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে না।

মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী সেলিম, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের ঢাকা মহানগর নেতা নুরুল ইসলাম বিপ্লব, প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ ফোরামের (বিবিএফ) আহ্বায়ক এন ইউ আহম্মেদ, নিরাপদ বাংলাদেশ চাই’র চেয়ারম্যান খন্দকার মাসুদ উজ জামান, পিডিপির কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাকছুদ আলম চৌধুরী, বাংলাদেশ ছাত্র পরিষদের বিভাগীয় সম্পাদক তাহরিনা ইসলাম পুতুল প্রমুখ।

মন্তব্য